বাগেরহাট জেলার দর্শনীয় স্থান

আমাদের আজকের আলোচনার বিষয় বাগেরহাট জেলার দর্শনীয় স্থান – বাগেরহাট-জেলা বাংলাদেশের ৮টি বিভাগের মধ্যে খুলনা বিভাগের অন্তর্গত । বাগেরহাট দক্ষিণ পশ্চিম বাংলাদেশের একটি জেলা। এটি খুলনা বিভাগের অন্তর্গত। উপজেলার সংখ্যা বিবেচনায় বাগেরহাট বাংলাদেশের একটি “এ” শ্রেণীভুক্ত জেলা। বাগেরহাট-জেলার উত্তরে গোপালগঞ্জ জেলা ও নড়াইল জেলা, দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর, পূর্বে পিরোজপুর জেলা ও বরগুনা জেলা, পশ্চিমে খুলনা জেলা। ২২°৩২’ থেকে ২২°৫৬’ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯°৩২’ থেকে ৮৯°৪৮’ পূর্ব দ্রাঘিমাংশের মধ্যে বাগেরহাট-জেলার অবস্থান।

 

বাগেরহাট জেলার দর্শনীয় স্থান

 

বাগেরহাট জেলার দর্শনীয় স্থান

 

বাগেরহাট জেলার দর্শনীয় স্থান

 

বাগেরহাট জেলার দর্শনীয় স্থান চার্ট:-

ক্রমিক নাম কিভাবে যাওয়া যায় অবস্থান
হযরত খানজাহান আলী (রঃ) ও তাঁর মাজার বাগেরহাট জেলা বাস স্ট্যান্ড থেকে ইজিবাইক/ইঞ্জিনচালিত রিক্সা যোগে  হযরত খানজাহান আলী (রঃ) এর মাজার যাওয়া যায়
ষাট গম্বুজ মসজিদ বাগেরহাট জেলা বাস স্ট্যান্ড থেকে বাস, মাইক্রোবাস, সিএনজি, ইজিবাইক/ অটোরিক্সা যোগে ষাট গম্বুজ-মসজিদে যাওয়া যায়। গাড়ি থেকে নেমেই রাস্তার পাশে ষাট গম্বুজ-মসজিদ দেখা যায়।
খাঞ্জেলী দীঘি বাগেরহাট জেলা থেকে অটোযোগে খাঞ্জেলী দীঘিতে যাওয়া যায়
সিংগাইর মসজিদ বাগেরহাট জেলা বাস স্ট্যান্ড থেকে ইজিবাইক/ইঞ্জিনচালিত রিক্সা যোগে সিংগাইর মসজিদ যাওয়া যায়
নয়গম্বুজ মসজিদ বাগেরহাট জেলা বাস স্ট্যান্ড থেকে ইজিবাইক/ইঞ্জিনচালিত রিক্সা যোগে নয়গম্বুজ মসজিদ যাওয়া যায়
সাবেকডাঙ্গা পূরাকীর্তি বাগেরহাট জেলা বাস স্ট্যান্ড থেকে ইজিবাইকযোগে সাবেকডাঙ্গা পূরাকীর্তি যাওয়া যায়
জিন্দাপীর মসজিদ বাগেরহাট জেলা বাস স্ট্যান্ড থেকে ইজিবাইকযোগে জিন্দাপীর মসজিদ যাওয়া যায়
অযোধ্যা মঠ/কোদলা মঠ বাগেরহাট জেলা বাস স্ট্যান্ড থেকে ইজিবাইক/ইঞ্জিনচালিত রিক্সা যোগে অযোধ্যা মঠ/কোদলা মঠ যাওয়া যায়
বাগেরহাট জাদুঘর বাগেরহাট জেলা বাস স্ট্যান্ড থেকে ইজিবাইক/ইঞ্জিনচালিত রিক্সা যোগে বাগেরহাট জাদুঘর যাওয়া যায়

 

অক্ষর ক্রমান্বয়ে বাগেরহাটের দর্শনীয় স্থানসমূহ:

  • এক গম্বুজ জামে মসজিদ, বাগেরহাট – খান জাহান আলীর আমলে নির্মিত একটি ছোট কিন্তু ঐতিহাসিক মসজিদ।

  • কোদলা মঠ – প্রাচীন হিন্দু স্থাপত্যশৈলীর নিদর্শন, খ্রিষ্টীয় সপ্তদশ শতকের প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন।

  • খান জাহান সমাধিসৌধ কমপ্লেক্স – খান জাহান আলীর সমাধি ও সংশ্লিষ্ট স্থাপনা সমূহের সমাহার।

  • খান জাহানের নির্মিত প্রাচীন রাস্তা – মধ্যযুগে খান জাহান আলীর তৈরি যোগাযোগ ব্যবস্থার প্রতীকী নিদর্শন।

  • চন্দ্রমহল – আধুনিক স্থাপত্যের অনন্য নিদর্শন ও দর্শনীয় বিনোদনকেন্দ্র।

  • চাঁদপাই বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য – সুন্দরবনের অংশবিশেষে গঠিত জীববৈচিত্র্যসমৃদ্ধ অভয়ারণ্য।

  • চুনাখোলা মসজিদ – খান জাহান আমলের আঞ্চলিক মসজিদ স্থাপত্যের অন্যতম নিদর্শন।

  • জিন্দাপীরের সমাধিসৌধ – সুফি সাধক জিন্দাপীরের স্মৃতিবিজড়িত পবিত্র স্থান।

  • ঢাংমারী বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য – সুন্দরবনের পূর্বাংশে অবস্থিত জীববৈচিত্র্যের আশ্রয়স্থল।

  • দশ গম্বুজ মসজিদ – খান জাহান আমলের গম্বুজ স্থাপত্যের বিরল নিদর্শন।

  • দুধমুখী বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য – সুন্দরবন এলাকার জীববৈচিত্র্য রক্ষায় প্রতিষ্ঠিত গুরুত্বপূর্ণ অভয়ারণ্য।

  • নয়গম্বুজ মসজিদ – আদি ইসলামী স্থাপত্যশৈলীতে নির্মিত নয়টি গম্বুজবিশিষ্ট মসজিদ।

  • পীর আলীর সমাধি – স্থানীয় মুসলিম আধ্যাত্মিক সাধক পীর আলীর স্মৃতিধন্য সমাধি।

  • বঙ্গবন্ধু দ্বীপ – বঙ্গোপসাগরের মোহনায় গড়ে ওঠা একটি নতুন চর-দ্বীপ, বর্তমানে জনপ্রিয় পর্যটন স্থান।

  • বাগেরহাট জাদুঘর – প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন ও ঐতিহাসিক সামগ্রী সংরক্ষণের কেন্দ্র।

  • বিবি বেগনী মসজিদ – খান জাহান আমলের অনন্য স্থাপত্যশৈলীর একটি প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন।

  • মসজিদের শহর বাগেরহাট – বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকাভুক্ত শহর, যেখানে অসংখ্য প্রাচীন মসজিদ রয়েছে।

  • রণবিজয়পুর মসজিদ – বিশাল একক গম্বুজ বিশিষ্ট স্থাপত্যশৈলীর জন্য বিখ্যাত।

  • রেজা খোদা মসজিদ – ঐতিহাসিক ইসলামি স্থাপত্যশৈলীর একটি গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন।

  • ষাট গম্বুজ মসজিদ – ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা, মধ্যযুগীয় ইসলামী স্থাপত্যের অনন্য নিদর্শন।

  • সাবেকডাঙ্গা মনুমেন্ট – স্থানীয় ইতিহাস ও প্রতিরোধ আন্দোলনের স্মৃতিবিজড়িত মনুমেন্ট।

  • সিঙ্গাইর মসজিদ – খান জাহান আলীর আমলের আরেকটি প্রত্নতাত্ত্বিক মসজিদ।

  • সুন্দরবন পূর্ব বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য – সুন্দরবনের পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের অন্যতম স্থান।

১ thought on “বাগেরহাট জেলার দর্শনীয় স্থান”

Leave a Comment