খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: ৫ই জানুয়ারি ২০১৫, ৭:১৯ এএম
বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের একটি ঐতিহাসিক জেলা হিসেবে পরিচিত বাগেরহাট, যা খুলনা বিভাগের অন্তর্গত। বঙ্গোপসাগরের নিকটবর্তী হওয়ায় এ জেলা প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর এবং সমৃদ্ধ ইতিহাসে অনন্য। বাগেরহাটের নামকরণ নিয়ে নানা মত প্রচলিত আছে। এর ইতিহাসের ভাঁজে লুকিয়ে আছে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, যা এই জনপদকে করেছে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক ঐতিহ্যের অন্যতম ভাণ্ডার।

Table of Contents
বাগেরহাট জেলা বর্তমানে একটি ‘এ’ ক্যাটাগরিভুক্ত জেলা। এর প্রশাসনিক কাঠামোতে রয়েছে ৯টি উপজেলা, ৭৫টি ইউনিয়ন, ১০৪৭টি গ্রাম এবং ৩টি পৌরসভা।
বাগেরহাট নামকরণ নিয়ে একাধিক তত্ত্ব প্রচলিত, যা আজও গবেষকদের আলোচনার বিষয়।
বাগেরহাটের ইতিহাস প্রাচীন জনপদ ও ধর্মীয়-সাংস্কৃতিক বিকাশের সাথে নিবিড়ভাবে যুক্ত।
ব্রিটিশ আমলে বাগেরহাট খুলনা জেলার অংশ ছিল।
আজকের বাগেরহাট ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ।
এই ঐতিহ্য বাগেরহাটকে শুধু বাংলাদেশের নয়, সমগ্র বিশ্বের কাছে একটি সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত করেছে।

বাগেরহাট জেলার নামকরণের ইতিহাস আজও একটি রহস্যাবৃত বিষয়। ‘‘বাঘেরহাট’’, ‘‘বাগেরহাট’’ অথবা ‘‘বাঁকেরহাট’’—যেভাবেই হোক না কেন, এ নাম বাংলাদেশের ইতিহাসে চিরস্থায়ী হয়ে আছে। এ জেলার ঐতিহাসিক স্থাপত্য, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য আমাদের গর্বের সম্পদ।
গবেষকদের জন্য বাগেরহাট এখনও একটি অনুসন্ধিৎসু ক্ষেত্র। নামের উৎসের ভিন্ন ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থাকলেও ঐতিহ্যের বিশাল ভাণ্ডার বাগেরহাটকে বাংলাদেশের ইতিহাসে অমর করে রেখেছে।
মন্তব্য