খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: ১৬ই এপ্রিল ২০১৫, ৮:৪২ এএম
আমাদের আজকের আলোচনার বিষয় বাগেরহাট জেলার উপজেলা। দক্ষিণ-পশ্চিম বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী জেলা বাগেরহাট খুলনা বিভাগের অন্তর্গত একটি “এ” শ্রেণিভুক্ত জেলা। ভৌগলিক বৈচিত্র্য, প্রাকৃতিক সম্পদ, সুন্দরবন সংলগ্ন অবস্থান এবং ঐতিহাসিক স্থাপত্যের কারণে এ জেলা বাংলাদেশের ইতিহাস-ঐতিহ্যে অনন্য স্থান দখল করে আছে।
Table of Contents
বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামোয় বাগেরহাট একটি গুরুত্বপূর্ণ জেলা, যা মোট ০৯টি উপজেলা নিয়ে গঠিত। এ উপজেলাগুলি হলো:
| ক্রমিক নং | উপজেলার নাম (বাংলা) | উপজেলার নাম (English) | উল্লেখযোগ্য দিক |
| ০১ | বাগেরহাট সদর | Bagerhat Sadar | জেলা সদর, ষাটগম্বুজ মসজিদ, খান জাহান আলীর মাজার, বাগেরহাট জাদুঘর অবস্থিত |
| ০২ | ফকিরহাট | Fakirhat | শিল্প-বাণিজ্যে সমৃদ্ধ, বিভিন্ন ঐতিহাসিক নিদর্শন ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান |
| ০৩ | মোল্লাহাট | Mollahat | কৃষি ও হস্তশিল্প নির্ভর অর্থনীতি, সামাজিক-সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য |
| ০৪ | কচুয়া | Kachua | প্রাচীন ইতিহাস ও নদীবিধৌত জনপদ, শিক্ষা ও কৃষি কার্যক্রমে অগ্রগণ্য |
| ০৫ | চিতলমারী | Chitalmari | খাল-বিল সমৃদ্ধ এলাকা, কৃষি ও মৎস্য চাষে প্রসিদ্ধ |
| ০৬ | রামপাল | Rampal | মংলা বন্দরের নিকটবর্তী, রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য বিখ্যাত |
| ০৭ | মোংলা | Mongla | বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর, ইপিজেড ও শিল্পাঞ্চল |
| ০৮ | মোড়েলগঞ্জ | Morrelganj | জনবহুল উপজেলা, সুন্দরবনের প্রবেশদ্বার, কৃষি ও মৎস্য উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ |
| ০৯ | শরণখোলা | Sarankhola | সুন্দরবনের মূল অংশ অবস্থিত, বন্যপ্রাণী, মধু ও গোলপাতার জন্য পরিচিত |
বাগেরহাট জেলার প্রতিটি উপজেলাই নিজস্ব বৈশিষ্ট্যে সমৃদ্ধ:
বাগেরহাট জেলার এই ৯টি উপজেলা শুধু প্রশাসনিক ইউনিট নয়, বরং ইতিহাস, সংস্কৃতি, অর্থনীতি ও প্রাকৃতিক বৈচিত্র্যের সমন্বিত প্রতিচ্ছবি। সুন্দরবন, ষাটগম্বুজ মসজিদ, মংলা বন্দরসহ নানা ঐতিহাসিক ও অর্থনৈতিক সম্পদ এ জেলার প্রতিটি উপজেলাকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে।
মন্তব্য